
শহিদুল ইসলাম
মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতাঃ-
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার শত বর্ষের উর্ধে অবস্থিত খালিশপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহ নিচে ও উপরে ৮ রুম বিশিষ্ট ছাত্র / ছাত্রীদের ক্লাসরুমের দ্বীতল ভবনটি মারাক্তক ঝুকিপুর্ণ হয়ে পড়ায়, এই বিলডিংয়ে পাঠ দান করা আদৌও সম্ভব নয় বলে গত দুই বছর যাবত কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় ঐ বিলডিংয়ে সম্পুর্ন ভাবে পাঠ করা বন্ধ করে দিয়েছে শিক্ষক কর্তৃপক্ষ। বিলডিংটির ছাদ ও ওয়ালে মাঝে মাঝে ফাটল ধরা সহ ছাদের নষ্ট হয়ে যাওয়ায় যে কোন মহুর্থে ধসে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রত ব্যবস্থা গ্রহন না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।
স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে বিদ্যালয়ের নিজস্ব্য অর্থয়ানে ১৯৮১ ইং সালে এই বিলডিংটি তৈরি করা হয়, বর্তমানে যাহা মারাক্তক ঝুকিপুর্ণ হওয়ায় ম্যানেজিং কমিটি ও জেলা উপজেলা প্রশাসনের দিক নির্দেশনায় ছাত্র/ছাত্রীদের পাঠদান কার্যক্রম সম্পুন্ন ভাবে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। পরিতাক্ত বিলডিংটি দ্রত অপসরণের জন্য উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা অফিসার ও বিভাগীয় শিক্ষা অফিসারকে অবগত করা হলেও আজ পর্যন্ত তার কোন সুরাহ হয়নি।
এবিষয়ে খালিশপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোজাম্মেল হক এক স্বাক্ষাতকারে বলেন ১৮৬৯ ইং সালে বিদ্যালয়টি স্থাপিত, এবং বিদ্যায়লটি উপজেলার মধ্যে একটি ব্যাপক নাম করণ বিদ্যালয় নামে পরিচিত, গত ২০২৫ ইং সালে বিদ্যালয়টি শত বছর পুর্ণ হয়েছে। এই স্কুল থেকে বহু ছাত্র / ছাত্রী এস এস সি পাশ করে দেশ বিশের বড় বড় স্থানে চাকুরি করা সহ বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত আছে, বর্তামানে এই বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ থেকে ১০ শ্রেণী পর্যন্ত মোট ১২৩৪ জন ছাত্র/ ছাত্রী পাঠ দান চলমান রছেছে, এই বিদ্যালয়ে ১৫টি সেকশন ও ২টি ভকেশনাল সেকশন বিদ্যমান আছে। বিদ্যালয়ে পরিতাক্ত বিলডিংয়ে ৮টি ঝুকিপুর্ণ ক্লাস রুম বন্ধ থাকায় ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেনী পর্যন্ত ১৯টি শ্রেনী কক্ষ থাকা সর্তেও অনেক সময় সেকশন বিভক্তি ছাত্র/ ছাত্রীদের খোলা আকাশের নিচেও পাঠ দান করাতে হচ্ছে।
১৯৮১ ইং সালের এই দ্বিতীয়তলা ভবনটির ছাদ ও ওয়ালে অনেক স্থানেই ফাটল ধরে গিয়েছে, যাহা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষরা তদন্ত করলে বুঝতে পারবেন।
তিনি আরো জানান আকাশে একটু বৃষ্টি হলেই বৃষ্টির পানি সমস্ত বিলডিংয়ের মেঝেতে ভরাট হয়ে যায়, এবং ছাদ রসে পানি পড়তেই থাকে। দীর্ঘদিন ধরে পানি বেধে বা আবদ্ধ থেকে ছেদলায় পরিনত হয়ে দুর্গন্ধ ছড়ায়। তাই দ্রত ব্যবস্থা গ্রহন করা না হলে যে কোন মহুর্থে ছাদ ও বিলডিং ধসে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হচ্ছে।