
শহিদুল ইসলাম
মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতাঃ-
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ২নং ফতেপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণচন্দ্রপুর বিলপাড়া বসবাসকারি আম্বিয়া খাতুন, স্বামী-হাশেম আলী, পিতা-মৃত আলী আকবার এর বসতবাড়ি হতে ১১/০৯/২০২৬ খ্রি.দিবাগত রাত্রে সময় তার একটি ছাগল অভিযুক্ত চোর ১। রোকনুজ্জামান (৪০) পিতা-হারুন অর রশিদ ( ট্রাক্টর হারান) , ২। আকাশ(২২) পিতা- কলা ব্যাপারী আশা , ৩। তামিন (২৩) পিতা-খায়বার সর্ব সাং- রাখালভোগা,থানা-মহেশপুর, জেলা-ঝিনাইদহগণ চুরি করে নিয়ে যায়।পরবর্তীতে খোঁজা খুঁজির এক পর্যায় ১২/০৯/২০২৬ খ্রি.সকাল অনুমান ০৯:০০ ঘটিকায় আম্বিয়া খাতুন কালিগঞ্জ থানাধীন বারোবাজার পশু হাট হতে তার চোরাই ছাগল ব্যাপারীর নিকট হতে ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকায় ক্রয় করে নিয়ে আসেন। আম্বিয়া খাতুন ব্যাপারীর নিকট ছাগল কার কাছ থেকে ক্রয করেছে জিজ্ঞাসা করলে, উক্ত অভিযুক্ত চোরদের মধ্যে রোকনুজ্জামান ও তামিনের ছবি মোবাইলে দেখিয়ে বলেন এদের কাছ থেকে ছাগল ক্রয় করেছি। অদ্য ১৩/০৯/২৬ খ্রি. সকাল ১০:৩০ ঘটিকার সময় চোর রোকনুজ্জামানকে ফতেপুর শিশু তলা বাজার হতে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে গণধোলাই দেন এবং ,কৃষ্ণচন্দ্রপুর স্ট্যান্ডে মানিক এর চায়ের দোকানের সিমেন্টের পিলারের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখেন। এঘটনায় স্থানীয় মেম্বার মন্টু সহ জনগণের উপস্থিতিত্বে একটি শালিস বৈঠক হয়। এতে চোরদের পক্ষে কোন গার্জন দ্বায়িত্ব না নেওয়ায় স্থানীয় লোকজন থানা পুলিশকে অবগত করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে চোর রোকনুজ্জামানকে থানা হেবাফতে নিয়ে আটক রেখেছে। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রোকনুজ্জামান থানা হাজতে আটক ছিলো।
শহিদুল ইসলাম
মহেশপুর ঝিনাইদহ।।