
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি।।
একজন সৎ, জনবান্ধব সরকারী সেবক ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার মঠবাড়ী ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সেলিম।যিনি তার মেধা ও দক্ষতায় মঠবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সেবার মানকে উন্নয়নের মাধ্যমে দালাল মুক্ত ভূমি অফিসকে ইউনিয়নবাসীর মাঝে উপহার দিতে কাজ করছেন।
ভূমি মালিকগণ জানান- এক সময় মঠবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সেবা নিতে গেলেই দালালদের খপ্পরে পড়ে ঘুষ দেওয়া, হয়রানির শিকার ও মাত্রাতিরিক্ত টাকা আদায় ছিলো নিত্য দিনের চিত্র । কিন্তু তিনি যোগদানের পর তার নিজ দক্ষতায় এ ধারণা পাল্টে দিয়েছেন ভূমিসেবার মান। ভূমি অফিসকে দালালমুক্ত অফিস উপহার দিতে তিনি কাজ করছেন।
মাঠপর্যায়ে ভূমি রাজস্ব প্রশাসনে নামজারি, জমাভাগ ও জমা একত্রীকরণ এবং রেকর্ড সংশোধন, সরকারি খাসজমি ও অকৃষি জমি ব্যবস্থাপনা, সায়রাত মহাল ব্যবস্থাপনা, অবৈধ দখলদার উচ্ছেদসহ ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সেলিম।
তার এই দায়িত্বশীল বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে প্রভাবশালীরা সাধারণ মানুষকে ঠকানোর সুযোগ পাচ্ছে না। তিনি দালালমুক্ত করা সহ মঠবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করেছেন। নাম জারী জমা খারিজ সহ ভূমির সকল প্রকার সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন মৌজায় পরিদর্শন করে দূর্নীতি-জনহয়রানী ও দালাল মুক্ত সেবা নিশ্চিত করার জন্য কর্মরত সকল অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কঠোর নির্দেশ প্রদান করেছেন।
কামরুজ্জামান সেলিম সহকারী ভূমি কর্মকর্তা
হিসেবে মঠবাড়ী ইউনিয়নে যোগদানের পর নিজস্ব প্রচেষ্টায় ভূমি অফিস থেকে অনিয়ম-দূর্নীতি প্রতিরোধ করে মাঠপর্যায়ে ভূমিসংক্রান্ত সেবা প্রদান ও জনবান্ধব ভূমি অফিস রুপান্তরিত করতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ইউনিয়নের প্রত্যেকটি মৌজায় ভূমি সেবার দৃশ্যপট পাল্টে দিয়েছেন, গতিশীল করেছেন সকল ভূমিসংক্রান্ত সেবা, দূর হয়েছে ভূমির মালিকদের হয়রানি ও ভোগান্তি।
ভূমি সংক্রান্ত পদ্ধতি সহজ করার জন্য সেবা প্রার্থীদের তিনি সরাসরি তার সঙ্গে দেখা করার আহ্বান জানান। দালাল মুক্ত হয়রানী মুক্ত করার ক্ষেত্রে বর্তমান সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সেলিমের অবদান অতুলনীয়। তিনি নামজারী ও জমা খারিজের আবেদন গ্রহণের সাথে সাথে আবেদনকারীকে কেস নম্বর উল্লেখপূর্বক একটি রশিদ ধরিয়ে দেন। রশিদের মধ্যে শুনানি তারিখ কবে এবং হেল্পডেস্ক মোবাইল নম্বর উল্লেখ্য থাকে।
প্রতিটি আবেদন গ্রহনের সাথে সাথে একটি সুদৃশ্য ফাইল কভার সংযোজন করা হয়ে থাকে। প্রতিটি কেইস শুনানী হবে কবে? সে তারিখ গুলো নোটিশ বোর্ডে টানিয়ে রাখা হয়, সহজে নথির গতিবিধি বের করা যায় এমন ব্যবস্থাও করা হয়। পূর্বে সেবা প্রার্থীদের অনেক হয়রানির শিকার হতে হতো এক টেবিল থেকে আরেক টেবিলে এই কর্মকর্তা থেকে ওই কর্মকর্তা কাছে ঘুরতে হতো, কিন্তু সহকারী কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সেলিমের যোগদানের পর থেকে তারা সরাসরি সহকারী ভূমি কর্মকর্তার কাছে গিয়ে পরামর্শ নেন এবং তিনি তাৎক্ষণিক ভাবে সেবা প্রার্থীদের পরামর্শ দেন।
অতীতে ভূমি অফিসের রেকর্ডরুমের অব্যবস্থাপনায় ফাইলপত্র যত্রতত্র পড়ে থাকত।কিন্তু এখন রেকর্ড রুমটি আসবারপএ দিয়ে সাজানো হয়েছে। সঠিক সেবার লক্ষে সুবিধা -অসুবিধা জানার জন্য তিনি অফিসে বসে কাজের পাশাপাশি জনগনের সকল কথা শুনেন এবং ন্যায্য সেবা প্রদান করেন তাৎক্ষনিক ভাবে তিনি নিজে অফিসের কর্মচারীদের ডেকে সকল কাজ বুঝিয়ে দেন। ধনী গরিব সকল শ্রেনীর পেশার মানুষের জমির সমস্যা সঠিক ভাবে সমধান করে দিয়ে থাকেন।
একাধিক ভূমিসেবা গ্রহনকারীদের সাথে কথা বলে আরো জানা গেছে যে দেশের প্রতিটি ভূমি অফিসে যদি কামরুজ্জামান সেলিমের এর মত সৎ সাহসী কর্মকর্তা থাকেন তাহলে দেশের ভূমি বিভাগের দূর্নীতি শতভাগ কমে যাবে।
কামরুজ্জামান সেলিমের ন্যায় নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে এলাকার অনেক আবাদী কৃষি জমি খনন করে পুকুর খনন কাজ বন্ধ,অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ,করে মঠবাড়ী ইউনিয়ন কে অনেক ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে এবং জমি নিয়ে পারস্পরিক ঝগড়া-বিবাদ থেকে রক্ষা করেছেন। তার কর্মকাণ্ডে তিনি ইউনিয়নের সর্বমহলে প্রশংসার স্থান দখল করে নিয়েছেন।