
আলিফ হোসেন।।
তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর তানোরে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে দোকান ভাঙচুর লুটপাট ও নারীর শ্লীলতাহানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) মালশিরা গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মালশিরা গ্রামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী হিরা বিবি বাদি হয়ে একই গ্রামের রাম বিলাশের পুত্র রাম চরণসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ ও ৬ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে তানোর থানায় এজাহার দায়ের করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,এদিন সকালে রামচরণ তার লোকজন ও ভাড়াটিয়া বাহিনী নিয়ে দেশীয় অস্ত্র সজ্জিত হয়ে ফিল্মি স্টাইলে দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট করে।এতে বাধা দিতে গেলে মজিদা বেওয়া নামের এক নারীর শ্লীলতাহানি ও তাকে মাটিতে ফেলে এলোপাথাড়ি মারপিট করে গুরুতর জখম করা হয়েছে।এঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে ৫টি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়েছে রামচরণ বাহিনী। এসময় সেখানে চরম ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়, নির্যাতনের শিকার মজিদা বেওয়া এবং তার পরিবারের সদস্যদের কান্না ও আহাজারিতে বাতাস ভারী হয়ে উঠে। স্থানীয়রা জানান,দীর্ঘদিন যাবত রামচরণ পেশীশক্তি প্রদর্শন করে অসহায় পরিবারগুলোকে জিম্মি করে রেখেছেন।
এদিকে মজিদা বেওয়ার দাবি দোকান ভাঙচুর, দুই ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ও ৫টি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়েছে রামচরণ বাহিনী।এছাড়াও নগদ দুলাখ টাকা ছিনতাই ও দোকান ভাঙচুর করায় ৩ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি করেছে রামচরণ বাহিনী। রামচরণ বাহিনীর হামলায় গুরুতর জখম মজিদা বেওয়া তানোর উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এদিকে আসামীগণ প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে তাদের বাড়িঘর ছেড়ে চলে হবে, নইলে তাদের হত্যা করা হবে।তাদের প্রকাশ্যে নানামুখী হুমকি ভয়ভীতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে মজিদা বিবির পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।মাসুদ বলেন, রামচরণ বিগত ১৭ বছর আওয়ামী লীগের ক্ষমতা দেখিয়েছেন।এখন আবার বিএনপির ক্ষমতা দেখাচ্ছে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে রামচরণ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,তার জায়গা প্রতিপক্ষ
জোরপুর্বক দখলের চেস্টা করছে।
এবিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, অভিযোগ তদন্তের জন্য একজন অফিসারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদন পেলে পরবর্তীতে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।#