শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :-
মধুপুরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় নিশ্চিতে ময়মনসিংহে পুলিশ সুপারের ব্রিফিং বেনাপোলে বিদেশি ম্যাগজিন ও গু-লিসহ যুবক আটক গৌরনদীর সরিকলে বিশিষ্ট সমাজ সেবক মান্নার মায়ের ই-ন্তেকাল ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গৌরনদীতে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান স্বপ্ন একটাই আধুনিক বাটাজোর উন্নয়ন, সেবা ও জনকল্যাণের প্রত্যয়ে মজিবরের গনসংযোগ জাতীয় সম্মাননায় ভূষিত ঝালকাঠির তরুণ সংগঠক আরিফুর রহমান ময়মনসিংহ সদরে ১৩১ পূজা মন্ডপে চালের ডিও বিতরণ করলেন এমপি ওয়াহাব আকন্দ ফেসবুকে ভাইরাল দল পা-গল সুন্দরগঞ্জের আবু বকর।। প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করার হাল ছাড়েনি ভাঙ্গুড়ায় টিসিবির ১হাজার ২২৮টি কার্ডের টিসিবি পণ্য বিতরণ

কাশিয়ানীতে দুই বছরের শিশু সাহারা’র মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা: পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হ/ত্যা

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৮৬ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা ইউনিয়নের সাগর খাকির মেয়ে সাহারা ইসলাম সারা (০২) এর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ধোঁয়াশা বাড়ছে।

গত ১১ আগস্ট মঙ্গলবার সাহারা ইসলাম সারা’র লাশ বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় মৃত শিশুর শরীরে পোড়া ক্ষত এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে অস্বাভাবিক দাগ দেখতে পাওয়া যায় এবং হাত-পা ঝুলছিলো (ভাঙ্গা ছিলো) বলে দাবি সাহারার মায়ের। কিন্তু মেয়েকে হারিয়ে বাবা-মা সহ সকলে শোকাহত অবস্থায় একটি মহল তড়িঘড়ি করে দ্রুত ছোট্ট শিশুর দাফন -কাফন সম্পন্ন করে।
ঘটনার পরে মৃত সাহারার মা মুক্তা বেগম বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে শিশুটির মা মুক্তা বেগম রান্নার কাজে ব্যস্ত হয়ে ওঠে তখন শিশুটি দাদুর সাথে আম খেতে ছিলো। পরে চাচা চাচি নাকি তাকে ডেকে নিয়ে যান। এর বেশ কিছু সময় পেরিয়ে গেলে শিশুটির কোন সারা শব্দ না পেয়ে তাকে খুঁজতে শুরু করেন তিনি। এরপরে দুপুর একটার দিকে বাড়ির পাশে পানির মধ্যে তার লাশ খুঁজে পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে মৃত সাহারার মা জানান, আমরা প্রথমে মনে করেছি হয়তো সে পানিতে পড়ে মারা গেছে কিন্তু আমার কন্যা সাহারা ইসলাম এর পেটের ওপর নাভির চারপাশে অনেকটা পোড়া এবং ফোসকা পড়া দেখতে পাই। এবং শিশুটির মুখে অন্য কারো হাতের চিহ্ন সহ গলায় দাগ দেখা যায়। এবং তার হাত পা গুলো ভেঙ্গে ফেললে যে রকম ঝুলতে থাকে ঠিক তেমনটি ছিলো। বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়া শর্তেও আমার মেয়ের শোকে আমি অচেতন ছিলাম। আমার স্বামী অন্য একটি জেলা থেকে গোপালগঞ্জ এসেই জানাজায় অংশগ্রহণ করে তখন তিনিও বিষয়টি বুঝতে পারেনি। পরে উক্ত বিষয়গুলো নিয়ে আমার স্বামী সহ পরিবারের সদস্যদের সাথে আলোচনা করে বুঝতে পারি আমার মেয়েকে প্রথমে ধর্ষণ ও পরে হত্যা করা হয়েছে এবং তার লাশ গোপনে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে এই হত্যাকে ভিন্নখাতে রূপ দেওয়ার জন্য।

এখন আমি প্রশাসনের কাছে দাবি করি আমার মেয়ের লাশ প্রয়োজনবোধে কবর থেকে উত্তোলন করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং তদন্ত করলে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ পাওয়া যাবে।

এ সময় তিনি আরো জানান বিষয়টি নিয়ে প্রথমে আমি কাশিয়ানী থানায় যাই কিন্তু সেখানে আমার মামলাটি তারা গ্রহণ করেনি কেননা এর মধ্যেই আমার মেয়েকে কবর দেওয়া হয়ে গেছে। পরবর্তীতে আমি গোপালগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করি। আমি আমার মেয়ের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সহ আমার মেয়ের মৃত্যুর সাথে যারা যারা জড়িত তাদের দেশের প্রচলিত আইনে কঠিন বিচার প্রত্যাশা করছি।

ইতিমধ্যে দুই বছরের শিশু সাহারা ইসলাম সারা’র মৃত্যুর এই বিষয়টি নিয়ে উক্ত এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved.©natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin