
কেএম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ফতেহপুর ইউনিয়নে হামলার শিকার ৪জন আহত ব্যক্তিদের হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে এসে পুলিশের হাতে আটক হলেন ফতেহপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান যুবলীগ নেতা রনজিৎ চৌধুরী রাজন। জানা যায় সুনামগঞ্জের ফতেহপুর ইউনিয়নের ফতেহপুর গ্রামে মাদক সেবনে বাঁধা দেওয়ায় সেবনকারীদের হামলায় ৪ জন আহত হয়েছেন। ২৫ আগষ্ট ২০২৬ইং রোজ মঙ্গলবার রাত ৯টায় ফতেহপুর ইউনিয়নের কালীবাড়ির সামনে বাড়িতে যাওয়ার পথে হামলার ঘটনাটি ঘটে। জানাযায় মাদক সেবনে বাঁধা দেওয়া এই হামলা চালানো হয়েছে, হামলায় ৪জন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন ১। অপূর্ব সরকার (২৩) পিতা: আশুতোষ ২। অনিক সরকার( ২২) পিতা: মলয় সরকার ৩। সৈকত সরকার (২১) পিতা: সতু রঞ্জন সরকার
৪। মানিক সরকার(৩৮) পিতা: মন্তোষ সরকার।
আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয়দের সহযোগীতায় সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। এসময় আহতদের চিকিৎসা করাতে হাসপাতালে ছুটে আসেন ফতেহপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জেলা যুবলীগের সদস্য রনজিৎ চৌধুরী রাজন। আহতদের সাথে আলাপ করে জানা যায় হামলাকারীরা হল একই গ্রামের সাবেক মেম্বার অরুন কান্তি দাস (জুনু)'ও তার সহযোগী টিটু, চয়ন দাস, মকুল দাস, মনিরাজ, অনিমেষ দাস,অজয় দাস, বাপ্পাদাসসহ ১০ /১২ জনের একটি সংঘবদ্ধচক্র। প্রত্যক্ষদোষী ও হাসপাতাল সূত্রে জানাযায় ঘটনার সময় ফতেহপুর গ্রামের বাসিন্দা অপূর্ব সরকার বাড়িতে যাওয়ার পথে ফতেহপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউ/পি সদস্য অরুন কান্তি দাস (জুনু) মদ খেয়ে মাতাল অবস্থায় অকথ্য ভাষায় অপূর্ব সরকারকে গালি গালিগালাজ করতে থাকেন? এসময় অপূর্ব সরকার কেন গালিগালাজ করছেন কারন জিজ্ঞেস করতেই অরুন কান্তি দাস ও তার সহযোগীরা দেশিও অস্ত্র লাঠি সোটা ডেগার হাতে নিয়ে সংঘবদ্ধ হামলা চালায়? এসময় হামলায় ৪জন আহত হয়েছেন। আহতরা সবাই ফতেহপুর ইউনিয়নের ফতেহপুর গ্রামের বাসিন্দা। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীদের সহযোগীতায় সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হলে খবর পেয়ে ফতেহপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জেলা যুবলীগের সদস্য রনজিৎ চৌধুরী রাজন আহতদের হাসপাতালে দেখতে আসেন। আহতদের চিকিৎসা চলাকালীন সময় হাসপাতালের ইমার্জেন্সি ওয়ার্ডের ভিতরে রনজিৎ চৌধুরী রাজনকে দেখতে পান কিছু বিএনপির নেতাকর্মীরা.তারা রনজিৎ চৌধুরী রাজনকে দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে আটক করে ডেবিল বলে পুলিশের হাতে তুলে দিলে সদর থানা পুলিশ রনজিৎ চৌধুরী রাজনকে থানায় ধরে নিয়ে যান।##