
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বেশী মূল্যে সার বিক্রির ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে। এটা কি সংকট না বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। কৃষকদের দাবী সার ডিলারগন কৃষকদের চলছেন সার নেই কিন্তু বেশী দাম দিলে মিলছে বস্তার বস্তার সার। এদিকে অনুমোদনহীন সার অবৈধভাবে মজুদ ও বিক্রির অপরাধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সাথে জব্দ করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সার।
গত ১৮ আগস্ট ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ, মঙ্গলবার দিনব্যাপী এ অভিযান পরিচালনা করেন গোদাগাড়ী উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইসরাত জাহান।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবারের অভিযানে উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের পালপুরে অবস্থিত ‘মেসার্স রহিম এন্টারপ্রাইজ’ এর গোডাউন পরিদর্শনকালে ২২ বস্তা অনুমোদনহীন এমওপি সার পাওয়া যায়। এর প্রেক্ষিতে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি জব্দকৃত ২২ বস্তা সার সরকারি মূল্যে বিক্রয় করে তা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
একই দিনে দেওপাড়া ইউনিয়নের কদমশহরে কীটনাশকের দোকান ‘মেসার্স সাজ এগ্রো বিজনেস’-এ অভিযান চালিয়ে অনুমোদনহীন ৩৯ বস্তা সার জব্দ করা হয়। অনিয়মের দায়ে ওই প্রতিষ্ঠানকেও মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং জব্দকৃত সার সরকারি দামে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
এদিকে, এই অভিযানের ধারাবাহিকতায় আজ সার সম্পর্কিত একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অবৈধ সার মজুতকারীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় এবং সারের কৃত্রিম সংকট রোধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
কৃষক আঃ মাতিন ও আতি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন,
সার ডিলারগন বলেন, সার নেই কিন্তু বেশী মূল্য দিলে ফজর নামাজের পূর্বে তেলে মত মিলছে সার। অন্য স্থান থেকে এনে দিচ্ছেন সার। কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকলে সরকারের নির্ধারিত মূল্যে সার পাওয়া যেতে পারে।
মোঃ হায়দার আলী
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহী।।