
কে এম সোহেব জুয়েল ঃ অবৈধ স্হাপনা রেখেই তরিঘরি করে খালে সেচ না দিয়ে অথৈ পানির মধ্যে দায়সারা ভাবে খাল খননের কর্মসূচির কাজ সমাপ্তি করায় ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশে ফেটে পরেছেন ওই এলাকার হাজারো কৃষক ও সচেতন মহলের লোকজন।
ঘটনাটি ঘটেছে গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের সাকোকাঠি হতে বাটাজোর পর্যন্ত সদ্য খাল খননের কর্মসুচিতে।
এ নিয়ে জনমনে নানান প্রশ্নের সৃষ্টি হচ্ছে। স্হানীয়রা বলরন, যে খালটিতে সম্প্রতি প্রধান মন্ত্রী তারেক জিয়া বৃক্ষ রোপন করে গেছেন আর সেই খালটির তীরবর্তীতে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা শতশত পাকা-কাচা অবৈধ স্হাপনা রেখেই খালের মেইন প্রান্ত সন্ধ্যা নদী হয়ে আগরপুর বাজার ঘেষে সাকোকাঠি সুইচগেট হয়ে বাটাজোর পর্যন্ত ৮ কিঃ মিঃ খাল পূঃন খননের বরাদ্দ হলেও আগরপুরের প্রধান খাল থেকে সুইচগেট পর্যন্ত মেইন ফলকের প্রায ৪ শত ফুটের মধ্যকার খাল দখল করে গড়ে উঠা শতাধিক পাকাকাচা অবৈধ স্হাপনা রেখেই স্হানীয় প্রভাব শালীদের ম্যানেজ করে খাল খননের কাজ সমাপ্তি করায় ওই এলাকার হাজারো কৃষক ও জনমনে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
স্হানীয় কৃষক ও সচেতন মহলের অনেকেই বলেন, জনগুরুত্বপূর্ণ খালটি পানি প্রবাহের দার প্রান্তের প্রায় ৪ শত ফুটের মধ্যকার সুইচগেট পর্যন্ত অবৈধ স্হাপনা রেখে খাল খননের কর্মসূচি গতকাল ১১ আগষ্ট মঙ্গলবার অথৈ পানির মধ্যে নামে মাত্র দায়সারা খাল খননের কাজ শেষ করায় ক্ষোভে ফেটে পরছেন ওই এলাকার মানুষ। আর এই অনৈতিকতাই জলাপ্রতিবন্ধকতায় কৃষি কাজে কুফল বয়ে এনে ইরি ও রবি শস্য উৎপাদনে নীতি বাচক প্রভাব বিস্তার করবে বলে মনে করছেন তারা।
ফলে এর সুফল থেকে বঞ্চিত হবে ওই এলাকার হাজারো কৃষক। মাইকে ঘোষিত অবৈধ স্হাপনা সরিয়ে নেয়ার কথা থাকলেও প্রকৃত পক্ষে কোন অবৈধ স্হাপনার মালিকরা এ সকল অবৈধ স্হাপনা না সরিয়ে প্রভাবশালিদের ম্যানেজ করে খাল খননের কাজ করছেন।
কেউ কেউ আবার বলেন, উপজেলা প্রশাসনের যথাযথ তদারকির উদাসিনতাকে পুঁজি করে স্হানীয় এক শ্রেনীর প্রভাবশালী মহল মোটা অংকের বানিজ্যর মধ্য দিয়ে এসকল অবৈধ স্হাপনা রেখেই গতকাল ১১ আগষ্ট মঙ্গলবার স্হানীয় লোকজনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ও তাদের বৃদ্ধা আঙুলি দেখিয়ে বহাল তবিয়তে অথৈ পানিতে দায়সারা ভাবে খাল খননের কাজ সমাপ্তি করেছেন। ফলে ক্ষোভে ফেটে পরছেন এলাকার কৃষক ও সচেতন মহলের লোকজন।
তাই এ সকল অবৈধ স্হাপনা সরিয়ে দিয়ে পানি নিষ্কাসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিজ হস্তে বৃক্ষ রোপিত খালটিকে শ্রদ্ধা দেখিয়ে আইনের সুশাসন বজায় রাখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।