
কে এম সোহেব জুয়েল ঃ বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগুরুত্বপূর্ণ একটি ইটের সড়ক দীর্ঘ দের যুগেও পাকা হয়নি। বর্তমানে সড়কটিতে ইটের সলিং (এইচবিবি) নষ্ট হয়ে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে ঐ এলাকার স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজে পড়ুয়া শিক্ষার্থী সহ জনসাধারণ । ফলে বর্ষা মৌসুমে চলাচলে ভোগান্তি বেড়ে যায় আরও দ্বিগুণ। ইটের সলিং সড়ক নির্মাণের পর প্রায় দের যুগের অধিক সময় অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত সড়কটিতে লাগেনি উন্নয়নের ছোঁয়া।
হাজারো মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে ইটের সড়ক থেকে পিচ ঢালাই (কার্পেটিং) সড়কে উন্নতি করণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের সাকোকাঠি ২ নং ওয়ার্ড মোল্লা বাড়ির ব্রীজ হয়ে ঘন্টেশ্বর পর্যন্ত প্রায় দীর্ঘ দুই কিঃ মিঃ সড়ক বহু বছর ধরে লোকজনের চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে ইট দ্বারা নির্মিত সড়কটি। এই সড়কের এক প্রান্ত সাকোকাঠি গ্রাম, আর অন্য প্রান্তে গৌরনদী সিমান্ত বর্তি (ঘন্টেশ্বর) পাশ্ববর্তীতে রয়েছে উজিরপুর ও, বাবুগঞ্জ উপজেলা এই তিন উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের লোকজন এই ইটের সলিং সড়কটি দিয়ে বেশিভাগ লোকজন যাতায়াত করেন। এ ছারাও এই সড়কটি দিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত যাতায়াতের মাধ্যমে আগরপুর ডিগ্রি কলেজ ও দঃ সাকোকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মডেল স্কুল সহ মহাসড়কে যাতায়াতের এক মাত্র মাধ্যম।
প্রায় দের যুগ পূর্ব ওই তিন উপজেলার সাধারণ মানুষের চলাচলে সুবিধার জন্য প্রকৌশল অধিদপ্তর গৌরনদীর অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়েছিল ৮;ফুট প্রশস্তের ইটের সলিং সড়কটি। কিন্তু দীর্ঘদিন সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় বিভিন্নস্থানে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। একসময়ে সড়কটি দিয়েই চলাচল করতো ভ্যান, ইজিবাইক, মাল বোঝাই ট্রলিসহ বিভিন্ন যানবাহন। এখন সেই একসময়ের ব্যস্ততম সড়কটি দিয়ে যানবাহন চলাচলে ঝুকি ব'লে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে জনসাধারনের। সড়কটি খানা খন্দের কারনে পায়ে হেটে চলাচল করতে কষ্ট হচ্ছে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের ফলে অতিরিক্ত সময় লাগছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ নিদিষ্ট স্হানে পৌছাতে ।
ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সিমান্তবর্তী তিন উপজেলার কয়েক হাজার মানুষের। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী সহ গর্ভবতী নারী ও রোগীদের।
এছাড়া এসব এলাকার উৎপাদিত কৃষি পণ্য বাজারে আনা, নেওয়ায় বেগ পোহাতে হচ্ছে ওই এলাকার কৃষকদের। সময় মতো বাজার ধরতে পারছেন না তারা। তাই দ্রুতই সড়কটি ইটের সলিং থেকে পিচ ঢালাই সড়কে উন্নতিকরণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
স্হানীয় ভ্যানচালক গনি খান, পুত্র কামাল খান সহ একাধিক ভ্যান ইজিবাইক ও অন্যান্য যান চালকরা বলেন, এই সড়কের বিভিন্নস্থানের ইট উঠে গিয়ে খানাখন্দ ও গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এই সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচলতো দুরের কথা পায়ে হেটে পথ চলাই মানুষের কষ্টসাধ্য হয়ে পরছে। এ ছারাও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্কুল গামি কচিকাচা শিক্ষার্থীদের পথ চলায় বিভিন্ন সময় দুর্ঘটনা ঘটনার স্বীকার হতে হচ্ছে স্হানীয় বৃদ্ধ লোকজন সহ কোমলমতি শিশুদের।
আগরপুর ডিগ্রি কলেজে পড়ুয়া একাধিক শিক্ষার্থীরা বলেন, সড়কটি অধিকাংশ জায়গাই ভাঙা, বিগত দের যুগের অধিক সময় অতিবাহিত হলেও কোনো উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি বর্তমানে রাস্তাটি লতাপাতায় ঢেকে জরাজীর্ণতায় দু- পাশ সংকুচিত হয়ে একদমই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পরছে। এ সড়ক দিয়ে কোন যানবাহন চলাচল করতে পারে না। ফলে আমাদের কলেজে যেতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তাই জন গুরুত্বপূর্ন সড়কটি অতি দ্রুত পাকা করন করে ওই সিমান্ত বর্তী তিন উপজেলার পথচারী, স্কুল মাদ্রাসা কলেজগামি কোমলমতি শিক্ষার্থী সহ সাধারণ পথচারীদের সমস্যা দুরিকরনে অতি দ্রুত রাস্তাটি পাকা করনের দাবিতে স্হানীয় সংসদ বরিশাল -১ এম জহির উদ্দিন স্বপন ( তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর) হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী ও এলাকার সাধারণ মানুষ।