
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়ন (ইউপি) বিএনপির পরিক্ষিত, নিবেদিতপ্রাণ, আদর্শিক ও ত্যাগী নেতা ইউপি বিএনপির সভাপতি এহসানুল কবির টুকুর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি গোষ্ঠী তাকে নিয়ে অপপ্রচার শুরু করেছে।গোদাগাড়ী বিএনপির আদর্শিক এই নেতৃত্ব রাজনীতিতে সবচেয়ে বেশি অপপ্রচার ও কুৎসার শিকার হয়েছে।স্থানীয় বিএনপির ত্যাগী এই নেতা এহসানুল কবির টুকু এখানো সকলের কাছে সমান জনপ্রিয়। অথচ এখানো টুকু প্রতিনিয়ত অপপ্রচার ও মিথ্যাচারের শিকার হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান,স্থানীয় বিএনপির বিপদগামী একশ্রেণীর সুবিধাবাদী যাদের রাজনৈতিক জীবনটাই পালাবদলের, যারা বিগত আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে অবৈধ সুবিধাভোগ করে মোটাতাজা হয়েছেন, এসব সুবিধাভোগীরাই এখন আওয়ামী লীগের বি-টিম হয়ে
বিএনপি নেতা এহসানুল কবির টুকুর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বিএনপির ত্যাগী নেতৃবৃন্দ বলেন, এহসানুল কবির টুকু দীর্ঘদিন যাবৎ বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকান্ড ও সামাজিক বিভিন্ন কর্মকান্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য সর্বদা চেষ্টা করে যাচ্ছেন। পারিবারিকভাবে তিনি একজন শিক্ষানুরাগী, এছাড়াও তিনি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অত্যান্ত আপজন হিসেবে এলাকায় সমান জনপ্রিয়।
এদিকে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গোদাগাড়ীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সাধারণ মানুষ, শিক্ষক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
এবিষয়ে এহসানুল কবির টুকু জানান, আওয়ামী লীগ সরকার আমলে বিএনপির কিছু সুবিধা ভোগী নেতারা তার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে , এই মিথ্যা অপপ্রচারে তার সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করছে।অপপ্রচারের বিষয়ে টুকু আরও বলেন, ভাটোপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি পদ দখল করার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা, তার পিতা প্রয়াত জসিম উদ্দিনের নামে প্রতিষ্ঠিত প্রেমতলী জসীম উদ্দীন দাখিল মাদ্রাসার জমি তারা দান করায় স্থানীয় জনগণ তাদেরকে ভালোবেসে পরিচালনা কমিটিতে রেখেছে সেই কমিটির বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের কোন অভিযোগ থাকলে তার অবশ্যই তাদের জানাতো। তাছাড়া এই মাদ্রাসায় নিয়োগ বাণিজ্যের কথা বলা হয়েছে যা সম্পূর্ণভাবে মিথ্যাচার। এখানে নিয়ম মেনেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে প্রেমতলী সুখ বাসিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি পদে টুকুকে নিয়ম-কানুন মেনেই করেছে, তাও এই কমিটি সাম্প্রতিক সময়ে হয়েছে। বিদ্যালয়ের একজন নিয়মিত শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ায় অবস্থান করা শিক্ষকের বিরুদ্ধে যথারীতি আনইগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তিনি স্বেচ্ছায় ইস্তেফা প্রদান করেন। এই কাজগুলো করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা টুকু এগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত না। এছাড়া ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা ফান্ডের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা, এই প্রতিষ্ঠানে এমন কোন বিশেষ ফান্ড আসেনি যা তিনি আত্মসাৎ করবেন।
অন্যদিকে প্রেমতলী ডিগ্রী মহাবিদ্যালয়ের সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত না সেখানকার প্রিন্সিপালকে পুনরায় ফিরিয়ে নিয়ে আনতে তিনি কোনো অধিকার রাখেন না।
এছাড়া সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র তীর্থস্থান ‘গৌরাঙ্গ বাড়ির সম্পত্তি নিয়ে তার নামে অভিযোগ আনা হয়েছে, এই সম্পত্তি ট্রাস্টি বোর্ডের আওতাধীন এই সম্পত্তি তিনি কিভাবে দখল করবেন ?
টুকু আরও বলেন, বালুমহল ও মসজিদের টাকা নিয়ে তার নামে মিথ্যাচার করা হয়েছে, মসজিদের টাকার হিসাব নিকাশ মসজিদ কমিটিই সঠিকভাবে দিতে পারবে তিনি মসজিদের টাকা নিজের কাছে রাখেননি। প্রয়োজনে আপনারা (গণমাধ্যমকর্মী) মসজিদ কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করে সত্যতা যাচাই করে নিতে পারেন।
এছাড়াও এলাকায় মব সৃষ্টির অভিযোগকে অস্বীকার করে টুকু বলেন এটা সরাসরি আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার। আমি এমন কোন কর্মকান্ড করলে স্থানীয় লোকজন জানতো। আমি শহীদ জিয়ার আদর্শে উজ্জীবীত হয়েই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।
সম্প্রতি সময়ে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জায়গা-জমি ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের দোসর ও তাদের পৃষ্ঠপোষক বিএনপির নামধারী কিছু নেতা ১৫ লাখ টাকায় লিজ নিতে চেয়েছিলো আমি উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে ২৬ লাখ টাকায় লিজ প্রদান করি একারনেই তারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি আমার বিরুদ্ধে করা অপপ্রচার ও মিথ্যাচারের প্রতিবাদ জানাচ্ছি, সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
এদিকে স্থানীয়রা জানান, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জায়গা-জমি ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের দোসর ও তাদের পৃষ্ঠপোষক বিএনপির নামধারী কিছু নেতা মাত্র মুল্য ইজারা নিতে চেয়েছিলেন। কিন্ত্ত এহসানুল কবির টুকু তাদের সেই চাওয়া পুরুণ না করে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে ২৬ লাখ টাকায় ইজারা প্রদান করেন। মুলত একারনেই তারা টুকুর বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করেছেন।