
কে এম সোহেব জুয়েল ঃ বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সরিকলের সাকোকাঠি মিশুক স্টান্ড সংলগ্ন খালটির আগরপুর বন্দরের দু-পাশ ঘিরে সাকোকাঠি মিশুক স্টান্ড হয়ে বাটাজোর পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ডের সম্পত্তিতে কয়েক শত পাকা কাচা অবৈধ স্হাপনা তৈরির কারনে খালটির পানির খরশ্রতের ব্যাঘাত ঘটায় খালটি বিলুপ্তির পথে বসছে।
ফলে পানির অভাবে সেচ প্রকল্পের ব্যাঘাতে উৎপাদিত হচ্ছে না ইরি রবি শস্য।।
শোখ হাসিনা সরকার পতনের পর দেশ নায়ক তারেক জিয়া তার পিতা মরহুম রাষ্ট্র পতি জিয়াউর রহমানের নিতি নির্ধারককে স্মরন করে দেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিতে খাল খননকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে ক্ষমতায় বসেই সারাদেশের খাল খননের কর্মসুচি হাতে নিয়ে খাল খননের কাজ শুরু করেন দেশ নায়াক প্রধান মন্ত্রী তারেক জিয়া।
তারি ধারাবাহিকতায় গৌরনদীর সরিকলের সাকোকাঠি থেকে বাটাজোরের খালটি খননের কাজ শুরু করলে ৪ মে ২০২৬ ইং গৌরনদী উপজেলা প্রশাসন সাকোকাঠি মিশুক স্টান্ড থেকে বাটাজোর পর্যন্ত খালের দু -পাশের যে সকল অবৈধ স্হাপনা দোকান পাট বসত বাড়ি গড়ে তোলা হয়েছে তা ঘোষণার ৩ দিনের মধ্যে সরিয়ে নিতে মৌখিক ও মাইকে ঘোষণা দেয়া হলেও অদ্য পর্যন্ত সরিয়ে নিচ্ছেননা অবৈধ অসাধু স্হাপনার মালিকেরা।
স্হানীয় একাধিক সুত্রে জানাগেছে এই সুযোগককে কাজে লাগিয়ে কতিপয় অসাধু সুযোগ সন্ধানী লোক দোকান ঘড় বা অবৈধ স্হাপনা টিকিয়ে রাখতে স্হাপনা মালিকদের কাছ থেকে মোটা অংকের দেন দরবারে বসছেন।
স্হানীয় এমপির দোহাই দিয়ে উপজেলা প্রসাশনের নির্দেশকে বৃদ্ধা আঙুল দেখিয়ে অবৈধ স্হাপনা না ভেঙে যার যার মত দিন কাটাচ্ছেন, ফলে নিয়ম মাফিক খাল না কাটায় জনমনে নানান প্রশ্নের সৃষ্টি হচ্ছে।
তাই এ সকল অসাধু ও স্বার্থান্বেশি লোকজনের চিন্তা চেতনাকে গুড়িয়ে দিয়ে খালের দুপাশের অবৈধ স্হাপনাকে সরিয়ে নিয়ে খাল খননের ধারা অব্যাহত রেখে খালের জৌলুশ ফিরে আনতে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।