
তরিকুল ইসলাম তরুন,
কুমিল্লা থেকে,
কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় তীব্র লোডশেডিংয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। দিনে-রাতে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন ১০-১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। তীব্র গরমে শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি কষ্ট পাচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্যেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
শিক্ষার্থীরাও পড়াশোনায় মারাত্মকভাবে পিছিয়ে পড়ছে। রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় তারা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না, যা আসন্ন পরীক্ষার জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কৃষি খাতেও দেখা দিয়েছে সংকট। সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় কৃষকরা ফসল উৎপাদনে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে এবং ফলন কমার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এদিকে বিদ্যুৎ সংকটের কারণে চিকিৎসা সেবাও বিঘ্নিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে রোগীরা পড়ছেন ভোগান্তিতে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, জাতীয় গ্রিডে উৎপাদন ঘাটতির কারণে সাময়িকভাবে এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও তারা আশ্বাস দিয়েছেন।
তবে সাধারণ মানুষের দাবি, দ্রুত লোডশেডিং কমিয়ে স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে, নতুবা জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে। এবিষয়ে কুমিল্লা ইষ্টানীয়া ইয়াকুব প্লাজার মালিক সমিতির সভাপতি মুন্জুরুল আলম জানান বিদ্যুৎ সংকটে সন্ধ্যা গড়াতেই মার্কেট বন্ধ রাকতে হয় এটা সরকারের নির্দেশ তাতে বিক্রি অর্ধেক কমে গেছে। দিনের বেলা প্রায়ই বিদ্যুৎ চলে যায় জেনারেটর চালু করতে গিয়ে পেট্রোল সমস্যা রয়েছে, খরচ দ্বিগুণ, সব দিকে ব্যবসায়ীরা বিপাকে।সরকার চাচ্ছে এসব সমস্যা থেকে উত্তরন হতে। বিদ্যুৎ বিভাগের কতৃপক্ষ বলছে কিছু করার নেই জাতীয় গ্রেডে সমস্যা।