
কুমিল্লা প্রতিনিধি:তরিকুল ইসলাম তরুন,
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে পণ্যবাহী যানবাহনের চালকদের জন্য নির্মিত আধুনিক বিশ্রামাগারটি উদ্বোধনের আগেই ভবনে ফাটল দেখা দেওয়ায় নির্মাণমান নিয়ে উদ্বেগ ও প্রশ্ন উঠেছে।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উদ্যোগে নির্মিত এই বিশ্রামাগারটি চালু করার প্রস্তুতি চলছিল। তবে উদ্বোধনের আগেই ভবনের দেয়ালে ফাটল দেখা যাওয়ার ঘটনা সামনে আসে। এর আগে গত ২০ ডিসেম্বর ‘শতকোটির বিশ্রামাগার ঝুঁকিতে’ শিরোনামে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল কয়েকটি মিডিয়াতে।
জানা যায়, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ক্লান্ত চালকদের বিশ্রামের সুযোগ দিতে ২০১৯ সালে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার এলাকায় প্রায় ১৩ একর জমিতে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। প্রায় ১০০ জন চালকের জন্য নির্মিত এ বিশ্রামাগারে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা রাখার কথা ছিল।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে নির্মাণকাজ শেষ হয়। চারতলা বিশিষ্ট দুটি ভবন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৯৬ কোটি টাকা। বিশ্রামাগারে গোপনঘর, নামাজের স্থান, মিটিং রুম, বিশ্রাম কক্ষ, ক্যান্টিন, বিনোদন ব্যবস্থা ও ট্রাক পার্কিংয়ের সুবিধা রাখা হয়েছে। এছাড়া যানবাহন মেরামতের জন্য ওয়ার্কশপও রয়েছে।
তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, বিশ্রামাগারের নবনির্মিত ভবনের দ্বিতীয় তলার দক্ষিণ পাশের একটি কক্ষের পশ্চিম দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে দেয়ালে ড্যাম্পের কারণে রঙ খসে পড়ার ঘটনাও লক্ষ্য করা গেছে।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, “এটি বড় কোনো সমস্যা নয়, প্রাথমিকভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
অপরদিকে, সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, বিশ্রামাগারটি চালু করতে ইতোমধ্যে ইজারাদার নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ২০ এপ্রিল আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই ভবনে ফাটল দেখা দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের কাছে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে। এছাড়া বিশ্রামাগার টি দীর্ঘ দিন পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল ঐ সুযোগে মাদক সেবীরা স্থান টি বেছে নিয়ে মাদকের রমরমা ব্যবসায়ের কেন্দ্রে পরিনত করেছিল, মিডিয়া তে কয়েক বার মাদকদ্রব্য সেবনের সংবাদ প্রকাশ হলে মাদক চক্রটি স্থান পরিবর্তন করেন।